April 19, 2026, 11:49 pm

নারায়ণগঞ্জে কিশোর গ্যাং এর হামলায় যুবক গুরুতর আহত।

নারা়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ, থানা ধিন পশ্চিম মিজমিজি এলাকায় ২৬/০৮/২০২১, রাত আনুমানিক ১০.৩০,মিনিটে আমিনুল ইসলাম (আনু) এর ছোট ভাই ইব্রাহিম কে রাস্তায় আটকিয়ে, আনু কে মুঠো ফোনে কল দিতে বলে পরে কল পেয়ে আনু সেখানে গেলে(১)রনি,পিতা মুক্তার হোসেন(মতু),(২) মেহেদি হাসান,পিতা মুক্তার হোসেন(মতু) (৩)রউফ,(৪)আরিফ,(চিশতিয়া বেকারীর মালিকের ছেলে)(৫)রাব্বি (টুন্ধা রাব্বি), এর নেতৃত্বে আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ জন কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা তাকে দেশীয় অস্ত্র, হকি, জিয়াইপাইপ, চেইন,লাঠি, ছুরি ও অনন্যা,দিয়ে আনুকে এলোপাথাড়ি আঘাত করতে থাকে এক পর্যায়ে আনু রক্তাক্ত অবস্থয় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অনুর বৃদ্ধো মা খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে ছুটে যায়, আনুর মাকেও মারধর করে এবং তার গলায় থাকা সর্ণের চেইন ইব্রাহিম ও আনুর দুইটি মোবাইল সেট ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয় বলে ভুক্তভুগী ও এলাকাবাসি জানায়, আনু রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন, পরবর্তীতে আনুকে অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে বাসায় নিয়ে আসে, আনুর এক হাত এক পা ভেঙ্গে গেছে ও সেলাই করতে হয়েছে অনেক জায়গায় শরীরের বিভিন্নঅংশে জখম হয়েছে অনেক রক্ত খনন হয়েছে ডাক্তার বলেছে আনু শঙ্কা মুক্ত না, তাকে দ্রুত উন্নত মনের চিকিৎসা সেবা দিতে হবে,এই বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ করেছেন আনুর পরিবার, সাব ইন্সপেক্টর মফিজুল এর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন ঘটনার স্থানে তদন্তে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন, কিন্তু কেনো এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি,আসামি ধরার বিষয় জানতে চাইলে সাব ইন্সপেক্টর মফিজুল বলেন ওসি সাহেব কে ঘটনা টি জানাইতে হবে তারপরে ওসি সাহেব বললে আসামি ধরব।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা